রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
২৮ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি
অপরাধ উন্মোচন
khun

বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

২৭-০৯-২০২৬১২০
4
বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
"তিতাস নদী থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মুকবুল হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেন ডুবুরি দলের সদস্যরা।"

আনোয়ার হোসেন, বাঞ্ছারামপুর প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের ছয় দিন পর তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন গুড্ডু (৩৮) নামের এক ড্রেজার ব্যবসায়ীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। লোহা ও রশি দিয়ে হাত-পা এবং নৌকার সঙ্গে মরদেহটি বিশেষভাবে বেঁধে পানিতে ডুবিয়ে রাখা হয়েছিল।

আজ রোববার দুপুরে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মিরপুর এলাকায় নদীর পানির তলদেশ থেকে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দলের সদস্যরা এই লাশ উদ্ধার করেন।

নিহত মুকবুল হোসেন ছলিমাবাদ ইউনিয়নের মৃত মোহন মিয়া ব্যাপারীর ছেলে এবং তিনি পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসায় অংশীদার ছিলেন তিনি।

যেভাবে উদ্ধার হলো মরদেহ

পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হন মুকবুল। আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয়রা সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এর মধ্যে নিখোঁজের ঘটনায় তাঁর ব্যবসায়িক অংশীদার রুবেল মিয়াও নিখোঁজ হন এবং গত শনিবার রাতে তাঁকে অসুস্থ অবস্থায় জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

মুকবুলের কোনো সন্ধান না পেয়ে পুলিশের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে রোববার সকাল আটটা থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তল্লাশির পর দুপুর দেড়টার দিকে নদীর পানির তলদেশে একটি নৌকার সঙ্গে লোহার এঙ্গেল ও রশি দিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা।

পুলিশের বক্তব্য

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্বদানকারী নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ এবং বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ডুবুরি দল নদীতে তল্লাশি চালিয়ে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করে।

বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ জানান, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

— অপরাধ উন্মোচন প্রতিবেদন

আপনার প্রতিক্রিয়া কী?

মোট ০ প্রতিক্রিয়া

প্রতিক্রিয়া জানাতে সাইন ইন করুন।

প্রতিবেদক
ক্রাইম রিপোর্টার
khun বিভাগ · অপরাধ উন্মোচন
নিউজলেটার

দিনের সেরা সংবাদ ইমেইলে পান

যেকোনো সময় ১-ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব করতে পারবেন।

মন্তব্য (০)

মন্তব্য করতে সাইন ইন প্রয়োজন।

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনি করুন।